সাহায্য পাঠান যাতে কাজ করে যেতে পারি Google Pay - 9874617187 Phone Pe - 9874617187 Paytm - 9874617187 Bank Transfer Tina Ball Ac No - 211710100053595 IFSC - ANDB0002117 Andhra Bank. এ ভাবেই এগিয়েছে শেক্সপিয়রের ‘আ মিডসামার নাইটস ড্রিম’ অনুসরণে ‘ছোটদের শেক্সপিয়র’ সিরিজে ব্ল্যাঙ্ক ভার্স-এর নতুন নাটক ‘বসন্ত এসে গেছে’। বাংলায় এই প্রথম। মঞ্চস্থ হবে ১২ জুলাই, সন্ধে ৭টায় আই সি সি আর-এ। নাটক, মঞ্চভাবনা, সংগীত ও নির্দেশনা রাজা ভট্টাচার্য। এর আগে ব্ল্যাঙ্ক ভার্স প্রযোজিত ফুড়ুৎ, কানাইচাঁদ পালোয়ান, ভুতুম ভগবান, আল ইজ ওয়েল, E=mc2, বর্ণপরিচয়-এর মতো নাটক বঙ্গরঙ্গমঞ্চে সাড়া জাগিয়েছিল।, নাটকের প্রচলিত কৌলীন্য ভেঙে তাঁর ‘থার্ড থিয়েটার’ যে নতুন পথের সন্ধান দিয়েছিল তা আজ ইতিহাস। ১৯৮৬-তে আলোকিত শহুরে বৃত্তের বাইরে গ্রামে-গ্রামে থিয়েটার নিয়ে যাওয়ার প্রকল্প নেন বাদল সরকার ও তাঁর দল শতাব্দী, সে বৃত্তান্ত শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনা ও সম্পাদনায় গ্রন্থিত হয়, পরিক্রমা নামের সে বই বহুকাল নিঃশেষিত। তার হুবহু পুনর্মুদ্রণ তো বটেই, সঙ্গে আরও রচনা ‘থার্ড থিয়েটার’-এর আদর্শে বিশ্বাসীদের, এই তিন দশকে যত পরিক্রমা হয়েছে তার স্থিরচিত্র ও সংবাদ সহ নতুন করে বেরচ্ছে পরিক্রমার তিন দশক (সম্পা: দেবাশিস চক্রবর্তী)— শমীকের ভাষায় ‘পুনর্মুদ্রণ নয়, পুনর্দর্শন’। ১৫ জুলাই বাদল সরকারের ৯২তম জন্মদিনে, বাংলা আকাদেমি সভাঘরে সন্ধে ৬টা ৪৫-এ। আয়োজনে নৌটঙ্কি কলকাতা।, বিশ্ব জুড়ে যখন মাথা চাড়া দিয়ে উঠছে অসহিষ্ণুতা, তখনই ধর্মীয় ভাবাবেগ সরিয়ে স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দে মেতে ওঠাতেই খুশির ইদের প্রকৃত সার্থকতা খুঁজে পান সাধারণ মানুষ। এরই ঝলক মেলে কলকাতার আশেপাশের ইদের মেলায়। যেমন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সিরাকোলে ছয় বছর ধরে বসছে তালতলা মিলনমেলা। পনেরো দিনের মেলার অন্যতম উদ্যোক্তা সংখ্যালঘু উন্নয়নমন্ত্রী ইয়াসুদ্দিন মোল্লা। তাঁর কথায়: এই মেলার মূল উদ্দেশ্য সকলে মিলে আনন্দ করা। নাগরদোলা, খাবারের দোকান, খেলনার দোকানই বেশি। দোকানদাররা প্রায় সবাই হিন্দু। একই জেলার বাঁকড়াহাট গ্রামপঞ্চায়েতে প্রতি বছর ইদ মেলা ও সম্প্রীতি উৎসব হয়। ইদের দিনে শুরু মেলাটি চলে সাত দিন। রোজই থাকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সংসারের জিনিস, জামাকাপড় ও খাবারের দোকান, নাগরদোলা, খেলনার দোকানে সেজে ওঠে কুড়ি বছরের পুরনো মেলাটি। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের উত্তর কাজিপাড়ার ইদ মেলাটিও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নিদর্শন। পির হজরত একদিল শাহের মাজার ঘিরে বসে এই মেলা কুড়ি দিন ধরে চলে। জামাকাপড়, সাজের জিনিস, বাসন, খেলনা, পুতুল, ঘর সাজানোর জিনিস, গাছ সবই পাওয়া যায়। নাগরদোলা থেকে খাবারের দোকান সব কিছুর স্বাদ মিলেমিশে ভাগাভাগি করে নেন স্থানীয় মানুষ।, আমাদের দেশের আধুনিক কাল গোপনে লেখকের মনে যে-সব রেখাপাত করেছে ঘরে-বাইরে গল্পের মধ্যে তার ছাপ পড়েছে।’ রবীন্দ্রনাথ নিজের ঘরে-বাইরে উপন্যাস নিয়ে যে ‘টীকাটীপ্পনী’ লিখেছিলেন, সেই কথাগুলিই ফের খেয়াল করিয়ে দিচ্ছিলেন রিমা মুখোপাধ্যায়। উপন্যাসটি অবলম্বনে তাঁর প্রথম ছবি ‘অর্ধাঙ্গিনী এক অর্ধসত্য’ ক’দিন হল মুক্তি পেয়েছে কলকাতায়। কবি-কথিত আধুনিক কালের ওই গোপন রেখাপাত বুনে দিতেই তৎপর তিনি, মানবসম্পর্কের টানাপড়েনের মধ্যে যে রহস্যের হাতছানি, তাতে সাড়া দিতেই তাঁর এ-ছবি করা। ছবির নামে ‘অর্ধসত্য’ শব্দটি রেখেছেন, তিনি মনেই করেন, কোনও নারী-পুরুষের সম্পর্কই পরস্পরের কাছে পূর্ণ সত্য নিয়ে ধরা পড়ে না, দু’তরফেই কোথাও একটা গোপনতা থাকে, সেখান থেকেই তৈরি হয় অর্ধসত্য। একশো বছর পরেও উপন্যাসটি সমকালীন তাঁর কাছে, ‘নির্দয় বাস্তবতা কোনও নারীর স্বপ্নকে কী ভাবে ভেঙে চুরমার করে দেয়, সে ব্যাখ্যা যোগ করেছি ছবিতে। হিন্দিতে করেছি, যাতে সর্বভারতীয় দর্শকের কাছে পৌঁছনো যায়।’ কবিতা কৃষ্ণমূর্তি, হরিহরণ, বসুন্ধরা দাস, সুখবিন্দর সিংহ, শাওন বসু প্রমুখ গেয়েছেন এ-ছবিতে, আর অভিনয়ে সুব্রত দত্ত, শ্রীলেখা মিত্র, সুবোধ ভাবে, বর্ষা উসগাঁওকর, রিমা লাগু, এবং মনোজ মিত্র। ‘নন্দন আমার ছবি চালাচ্ছে, আমি কৃতজ্ঞ, সলমন খানের সুলতান-এর চাপে রবীন্দ্রনাথ তো প্রায় কোণঠাসা তাঁর নিজের শহরেই!’ মন্তব্য মুম্বইবাসী রিমার।, উৎপলকুমার বসু অমিত চৌধুরীকে বলেছিলেন, ‘এত দিন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী তিন জন আছে জানতাম— কণিকা সুচিত্রা নীলিমা। তোমার মা-র গান শোনার পর বুঝলাম তিন জন নয়, চার জন!’ ১৯২৫-এ শ্রীহট্টে জন্ম বিজয়া চৌধুরীর। সুচিত্রা মিত্র ও কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়দের সমকালীন এই শিল্পী নজরুলগীতি, অতুলপ্রসাদের গান এবং হিন্দি ভজনেও স্মরণীয়। শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘বিজয়া চৌধুরীর ‘এসো নীপবনে ছায়াবীথিতলে’ আমাকে আপাদমস্তক ভিজিয়ে পুরো ভাসিয়ে ছাড়ে...।’ সাংগীতিক পরিমণ্ডলে বড় হওয়া বিজয়ার পৈতৃক পদবি ছিল নন্দী মজুমদার। তাঁর ভাষায়, ‘গান গাইতাম তোতা পাখির মতো। যা শুনতাম আর যা ভাল লাগত তাই গলায় তুলে নিতাম।’ তাঁর পুত্র লেখক ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী অমিত চৌধুরী বলছিলেন, ‘উনি বিশ্বাস করতেন, রবীন্দ্রনাথের গান গাইতে হলে ব্যক্তিগত আবেগ নয়, সুর আর গানকেই প্রাধান্য দেওয়া উচিত। আমার মনে হয়, রবীন্দ্রসংগীতে এটাই তাঁর অরিজিনাল কন্ট্রিবিউশন।’ দিলীপ রায়ের সঙ্গেও তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গেয়েছেন। ১৯৫৫-’৬১ ছিলেন লন্ডনে। ১৯৬৪ থেকে মুম্বইয়ে। লিখেছেন আত্মজীবনী সিলেট কন্যার আত্মকথা। এখন কলকাতায়। সন্তোষ সেনগুপ্ত-র কাছে রবীন্দ্রসংগীতের তালিম। তাঁরই সহায়তায় ১৯৬৫-তে এইচ এম ভি থেকে প্রথম রেকর্ড। সম্প্রতি, নবতিপর শিল্পীর ১৯৮০-’৯০-এ রেকর্ড করা ‘রবীন্দ্রনাথ ও কাজী নজরুলের গান’ শীর্ষক দুটো সিডি প্রকাশিত হল বিহান মিউজিক থেকে।, Science &